
মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন (সালথা উপজেলা প্রতিনিধি) :
মসজিদের সামনে পাট শুকানোর জন্য বাঁশের আড়া বাধাকে কেন্দ্রে করে ফরিদপুরের সালথায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।আড়া খুলে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকটি বসতবাড়ি ও একটি দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। সংঘর্ষে নারীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত ৮ টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের জুগীকান্দা গ্রামে ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় বসির মাতুব্বরের বসতবাড়ির পাশে একটি মসজিদের সামনে পাট শুকানোর জন্য বাঁশ দিয়ে পাড়া বাঁধেন হবি মেম্বারের সমর্থক হাবিবুর রহমান। এতে মসজিদে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদের চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হয়। পরে মুসল্লিরা বাসের ওই আরা খুলে খুলে দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছবি মাতুব্বরের সমর্থকেরা বসির মাতুব্বরের দায়ী করেন। একপর্যায়ে তাঁরা বশির মাতুব্বরের বাপের বাড়িতে হামলার চেষ্টা করলে উভয়পক্ষের কয়েকজন সেখানে জল হন। পরে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়।সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় কয়েকটি বসতবাড়ি কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করা হয়। উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের কয়েকজনকে স্থানীয় চিকিৎসা দেওয়া হয় বাকি কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একটি বাঁশের আড়া খোলা কে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধ দ্রুত সংঘর্ষের রুপ নেয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে সালতা থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ বিষয়ে হাবিবুর রহমান হবি মেম্বার বলেন, পাটের আড়া বাধাকে কেন্দ্র করে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। এর বাইরে আমি কিছু জানি না। তবে আহত হওয়ার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার সমর্থকদের মধ্যে ৪ থেকে ৫ জন আহত হয়েছে। বশির মাতুব্বর বলেন, বাঁশের আড়া খোলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও আমাকে দায়ী করে আমার বসত বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় আমার স্ত্রী সহ কয়েকজন আহত হয়। বর্তমানে আমার স্ত্রী ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমি সহ পুলিশের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
